শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

ভালোবেসে যদি সুখ নাহি তবে কেন

ভালোবেসে যদি সুখ নাহি তবে কেন,
তবে কেন মিছে ভালোবাসা।
মন দিয়ে মন পেতে চাহি।
ওগো কেন,
ওগো কেন মিছে এ দুরাশা।
হৃদয়ে জ্বালায়ে বাসনার শিখা,
নয়নে সাজায়ে মায়া-মরীচিকা,
শুধু ঘুরে মরি মরুভূমে।
ওগো কেন,
ওগো কেন মিছে এ পিপাসা।
আপনি যে আছে আপনার কাছে,
নিখিল জগতে কী অভাব আছে।
আছে মন্দ সমীরণ, পুষ্পবিভূষণ,
কোকিল-কূজিত কুঞ্জ।
বিশ্বচরাচর লুপ্ত হয়ে যায়,
এ কী ঘোর প্রেম অন্ধ রাহুপ্রায়
জীবন যৌবন গ্রাসে।
তবে কেন,
তবে কেন মিছে এ কুয়াশা।
-
রাগ: কাফি
তাল: কাহারবা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): অগ্রহায়ণ, ১২৯৫
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1888
রচনাস্থান: কলকাতা, দার্জিলিং
স্বরলিপিকার: জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর, ইন্দিরা দেবী

আমি তোমার প্রেমে হব সবার কলঙ্কভাগী

আমি তোমার প্রেমে হব সবার কলঙ্কভাগী।
আমি    সকল দাগে হব দাগি॥
তোমার পথের কাঁটা করব চয়ন,   
যেথা তোমার ধুলার শয়ন
সেথা আঁচল পাতব আমার--
তোমার রাগে অনুরাগী॥
আমি    শুচি-আসন টেনে টেনে বেড়াব না বিধান মেনে,
যে পঙ্কে ওই চরণ পড়ে তাহারি ছাপ বক্ষে মাগি॥
-
রাগ: ভৈরবী
তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1317
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1910
স্বরলিপিকার: সাহানা দেবী

আমি তোমার প্রেমে হব সবার কলঙ্কভাগী

আমি তোমার প্রেমে হব সবার কলঙ্কভাগী।
আমি    সকল দাগে হব দাগি॥
তোমার পথের কাঁটা করব চয়ন,   
যেথা তোমার ধুলার শয়ন
সেথা আঁচল পাতব আমার--
তোমার রাগে অনুরাগী॥
আমি    শুচি-আসন টেনে টেনে বেড়াব না বিধান মেনে,
যে পঙ্কে ওই চরণ পড়ে তাহারি ছাপ বক্ষে মাগি॥
-
রাগ: ভৈরবী
তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1317
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1910
স্বরলিপিকার: সাহানা দেবী

বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

বাতাসের চলার পথে - (নবীন)

বাতাসের চলার পথে
যে মুকুল পড়ে ঝরে ,
তা নিয়ে তোমার লাগি রেখেছি
ডালি ভরে ।
-
- নবীন (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)

মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৬

আমার হৃদয় তোমার আপন হাতের দোলে

আমার হৃদয় তোমার আপন হাতের দোলে দোলাও,
কে আমারে কী-যে বলে ভোলাও ভোলাও ॥
ওরা কেবল কথার পাকে নিত্য আমায় বেঁধে রাখে,
বাঁশির ডাকে সকল বাঁধন খোলাও ॥
মনে পড়ে, কত-না দিন রাতি
আমি ছিলেম তোমার খেলার সাথী।
আজকে তুমি তেমনি ক'রে সামনে তোমার রাখো ধরে,
আমার প্রাণে খেলার সে ঢেউ তোলাও ॥
-
রাগ: ভৈরবী
তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1328
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1921
রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন
স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর

শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আমারে তুমি অশেষ করেছ

আমারে তুমি অশেষ করেছ, এমনি লীলা তব–
ফুরায়ে ফেলে আবার ভরেছ জীবন নব নব।।
কত-যে গিরি কত-যে নদী -তীরে
বেড়ালে বহি ছোটো এ বাঁশিটিরে,
কত-যে তান বাজালে ফিরে ফিরে
কাহারে তাহা কব।।
তোমারি ওই অমৃতপরশে     আমার হিয়াখানি
হারালো সীমা বিপুল হরষে, উথলি উঠে বাণী।
আমার শুধু একটি মুঠি ভরি
দিতেছ দান দিবস-বিভাবরী–
হল না সারা, কত-না যুগ ধরি
কেবলই আমি লব।।
-
রাগ: ছায়ানট
তাল: ঝম্পক
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ৭ বৈশাখ, ১৩১৯
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1912
রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন
স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভীমরাও শাস্ত্রী

বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৬

মোর প্রভাতের এই প্রথম খনের কুসুমখানি

মোর প্রভাতের এই প্রথম খনের কুসুমখানি
তুমি          জাগাও তারে ওই নয়নের আলোক হানি ॥
সে যে দিনের বেলায় করবে খেলা হাওয়ায় দুলে,
রাতের অন্ধকারে নেবে তারে বক্ষে তুলে--
ওগো          তখনি তো গন্ধে তাহার ফুটবে বাণী ॥
আমার        বীণাখানি পড়ছে আজি সবার চোখে,
হেরো তারগুলি তার দেখছে গুনে সকল লোকে।
ওগো          কখন সে যে সভা ত্যেজে আড়াল হবে,
শুধু সুরটুকু তার উঠবে বেজে করুণ রবে--
যখন          তুমি তারে বুকের 'পরে লবে টানি ॥
-
রাগ: রামকেলী
তাল: দাদরা
রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): 1321
রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1914
রচনাস্থান: শান্তিনিকেতন
স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর